ছবি:- মোঃ মামুনুর রশিদ সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া রেলওয়ে ব্রিজ ঘাটিনা গ্রাম অনেক পুরাতন একটি গ্রাম প্রায় ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাষনামলের আগে থেকেই এই গ্রামের অস্তিত্ব রয়েছে। নামকরনের সঠিক কোন ইতিহাস জানাযায়নি যদিও তবে ঘাটিনা গ্রাম তার স্বর্ণসন্তানদের দ্বারা ঠিক ই তার নাম সারাদেশে মাথা উচু করে তুলে ধরেছে। ঘাটিনাতে রয়েছে বিখ্যাত শতবর্ষী রেল ব্রিজ ঘাটিনা রেলওয়ে সেতু যা উপনিবেশিক শাষনামলে নির্মান করা এক অনবদ্য সুন্দর স্থাপত্ত্যকলা। আর এই ঘাটিনা ব্রিজের কোলেই সিরাজগঞ্জের সূর্যসন্তানেরা ১৯৭১ সালে প্রথম প্রতিরোধ গরে তোলে পাক-হানাদারদের বিরুদ্ধে। রেলব্রিজের পাশেই বাঙ্গালী নদীর বুকচিড়ে নির্মান হয়েছে ঘাটিনা সেতু যা ঘাটিনা গ্রাম কে উল্লাপাড়া সদরের সাথে সংযুক্ত করেছে ওপর দিকে পাশাপাশি সাধারন সেতু ও রেল সেতু মিলে দর্শনিয় একটি স্থানের তৈরি করেছে, এখানেই ধারন করা হয়েছে বিখ্যাত চলচিত্র চন্দ্রগ্রহনের বেশ কিছু অংশ। এখানে বিকেল বেলা পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য সুন্দর একটি জায়গা যা ...
প্রতিদিনই বাড়ছে রোদের তীব্রতা। গ্রীষ্মের দাবদাহে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। সূর্যের কড়া চাহনিতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে। হতে পারে হিটস্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা। এই অবস্থায় নিজেকে সুস্থ রাখতে কী করবেন আর কী করবেন না জেনে নিন। দুপুরের চড়া রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত যতটা সম্ভব অফিসে বা ছায়ায় কাজ করুন। শরীরিক অসুবিধা হতে পারে এমন কাজ এই সময়টাতে না করাই ভালো। অন্যদিকে দুপুরে বাড়িতে পর্দা দিয়ে রোদ আটকানো আর রাতের দিকে জানালা খুলে দেওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি গরমে অসুস্থ পড়লে বা তার হিট স্ট্রোক হয়েছে বুঝলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না চিকিৎসার ব্যবস্থা হচ্ছে, ততক্ষণ অসুস্থ ব্যক্তিকে ছায়ায় শুইয়ে রাখা বা ভেজা রুমাল, গামছা বা তোয়ালে দিয়ে চোখ-মুখ মুছিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজনে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে শরীরে ও মাথায় পানি দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। দিনে কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করা জরুরি। সম্ভব হলে ডাবের পানি, স্যালাইন, লেবুর শরবত, অল্প লবণ ও চিনি দিয়ে শরবেত খেতে পারেন। পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে, তেষ্টা না পেলেও পানি ...
মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি জোগানে ভুট্টার উপযোগিতা আদিকাল হতে বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে খাদ্যাভাসের পরিবর্তনের প্রচেষ্টা যেন নিরন্তর। প্রায় দশ হাজার বছর আগে মেক্সিকোতে ভুট্টার চাষাবাদ শুরু হয় এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ভুট্টা ব্যবহৃত হতে থাকে। বাংলাদেশে দানাশস্যের মধ্যে ধান ও গমের পরেই রয়েছে ভুট্টার অবস্থান। ভুট্টার পুষ্টিমান ধান ও গমের চেয়েও অধিক। ভুট্টার চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভুট্টা চাষের জমির পরিমাণ ও উৎপাদন ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশে ভুট্টার মোট আবাদি জমি ও উৎপাদনের পরিমাণ যথাক্রমে ১.৭৪ লক্ষ হেক্টর এবং ১১.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন ছিল যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে যথাক্রমে ৫.৫৪৪ লক্ষ হেক্টর এবং ৫৪.০২৫ লক্ষ মেট্রিক টন এ দাঁড়িয়েছে। প্রাণি খাদ্যে শতকরা ৮৫ ভাগ এবং মাছের খাদ্যে কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ ভুট্টা ব্যবহৃত হয়। ভুট্টায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় দেশে পশু-পাখি ও মাছের খাদ্য হিসেবেও ভুট্টার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ভুট্টা সংযো...
মন্তব্যসমূহ