পোস্টগুলি

ছবি
বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত, ২ জনের মৃত্যু, দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং ২ জন করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS)। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই সময়ের মধ্যে ৩৪৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭৪টি ছিল RT-PCR টেস্ট। পরীক্ষার বিপরীতে পজিটিভিটির হার দাঁড়িয়েছে ৮.৬২ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮০০ জন, আর মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২৯ হাজার ৫০২ জনে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪০১ জন সুস্থ হয়েছেন। নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সতর্কতা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাসের Omicron ভ্যারিয়েন্টের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট (যেমন XFG, XFC) কিছু দেশে শনাক্ত হয়েছে, যা বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে, সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি ভিড় এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক, দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীদের জ...

প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকার উপায়

ছবি
প্রতিদিনই বাড়ছে রোদের তীব্রতা। গ্রীষ্মের দাবদাহে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। সূর্যের কড়া চাহনিতে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে। হতে পারে হিটস্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা। এই অবস্থায় নিজেকে সুস্থ রাখতে কী করবেন আর কী করবেন না জেনে নিন। দুপুরের চড়া রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত যতটা সম্ভব অফিসে বা ছায়ায় কাজ করুন। শরীরিক অসুবিধা হতে পারে এমন কাজ এই সময়টাতে না করাই ভালো। অন্যদিকে দুপুরে বাড়িতে পর্দা দিয়ে রোদ আটকানো আর রাতের দিকে জানালা খুলে দেওয়া উচিত। কোনো ব্যক্তি গরমে অসুস্থ পড়লে বা তার হিট স্ট্রোক হয়েছে বুঝলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না চিকিৎসার ব্যবস্থা হচ্ছে, ততক্ষণ অসুস্থ ব্যক্তিকে ছায়ায় শুইয়ে রাখা বা ভেজা রুমাল, গামছা বা তোয়ালে দিয়ে চোখ-মুখ মুছিয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজনে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে শরীরে ও মাথায় পানি দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। দিনে কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করা জরুরি। সম্ভব হলে ডাবের পানি, স্যালাইন, লেবুর শরবত, অল্প লবণ ও চিনি দিয়ে শরবেত খেতে পারেন। পানিশূন্যতা থেকে বাঁচতে, তেষ্টা না পেলেও পানি ...

বিনা চাষে রসুন চাষ

ছবি
রসুনের উৎপাদন প্রযুক্তি মাটি ও জলবায়ু           জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দোআঁশ মাটি রসুন চাষের জন্য ভাল। মাটির অমস্নতা ৬-৭ হলে সে মাটিতে রসুন ভাল হয়। তবে এটেল দোআঁশ মাটিতেও চাষ করা যায়। রসুন খুব শীত বা বেশি গরম সহ্য করতে পারে না। রসুন চাষের জন্য ঠান্ডা ও মৃদু জলবায়ু প্রয়োজন। রসুন গাছের দৈহিক বৃদ্ধির জন্য ঠান্ডা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া এবং বাল্ব পরিপক্ক হওয়ার জন্য বড়দিন ও শুষ্ক আবহাওয়া প্রয়োজন। জমি তৈরি           ৬-৭ টি চাষদিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে মই দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। এ সময় জমিতে আগাছা থাকলে বেছে পরিষ্কার করতে হবে। জমি সমতল করে বেড তৈরি করতে হবে। এবং এক বেড থেকে অন্য বেডের মাঝে পানি নিষ্কাশনের জন্য ৫০ সেমি প্রশসত্ম নালা রাখা দরকার। বিনা চাষে রসুন উৎপাদন           বন্যা পস্নাবিত এলাকায় বন্যার পানি নেমে গেলে জমির আগাছা পরিষ্কার করে রসুনের কোয়া রোপণ করা হয়। পরবর্তীতে ধানের খড় দ্বারা মালচিং করা হয়। প্রয়োজনবোধে সেচ দেওয়া হয়। এভাবে বিনা চাষে রসুন উ...

বাঁশ -বিরিয়ানির যতো কথা

ছবি
বাঁশ-বিরিয়ানি নিয়ে যতো কথা বলছি,বাঁশে তৈরি নানা খাবারের উৎপত্তির কথা। একসময় পাহাড়ের মানুষ যখন শিকারে যেতেন, তখন বেশ কদিন জঙ্গলে থাকতে হতো। শিকারে যাওয়ার সময় বেশি কিছু সঙ্গে নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জঙ্গলের বাঁশ কেটে সঙ্গে থাকা চাল, ডাল তাতেই ফুটিয়ে নিয়ে খেতে হতো। সেখান থেকেই বাঁশ মুরগি ও বাঁশ বিরিয়ানির মতো খাবারের প্রচলন। এখন  ‘তবে সবাই কিন্তু ভালোভাবে এটা তৈরি করতে পারে না।’ গতবছর ডিসেম্বর মাসে গ্রামের  কয়েকজন ভাই-ব্রাদার  মিলে ঘুরতে গিয়েছিলাম বান্দরবানের  পাহাড়ি কন্যাখ্যাত থানচি। রাতের বাসে ঢাকা থেকে রওনা হয়ে ভোরে পৌঁছাই বন্দরবান। সেখান থেকে স্থানীয় চাঁদের গাড়িতে চড়ে থানচি পৌঁছাতে পৌঁছাতে দুপুর ১২টা। বান্দরবান  থেকে থানচির এই যাত্রাপথ পুরোটাই উপভোগ্য। পাহাড়ি উঁচু-নিচু পথের অনুভূতিটা ছিল অনেকটা রোলার কোস্টারে চড়ার মতো। তাই তো চিৎকার করে সবাই গেয়ে উঠলাম, ‘পাহাড়ের বাহারে বাহারে/ কত–কী যে সুখ আছে, আহা রে।’ পাহাড়ের ঢালে খুঁটি গেড়ে তৈরি করা থানচি অধিকাংশ বসতি  কাঠ ও বাঁশের। থানচি আধুনিক ভবনও চোখে পড়ল, আমরা সবাই আধুনিক তৈরি একটা হোটেল "হোটেল ডিসকভারি থান...

আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ

ছবি
                                  ছবি:- মোঃ মামুনুর রশিদ  বলছি আল আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ এর কথা। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ছিমছাম, পরিপাটি জেলাগুলোর একটি সিরাজগঞ্জ জেলা। জেলাটিতে ঘুরে দেখার মত যেরকম কিছু দর্শনীয় স্থান রয়েছে, তেমনি রয়েছে নয়নাভিরাম অনেক মসজিদ। তথ্যসূত্র মতে, সিরাজগঞ্জ জেলায় সর্বমোট মসজিদ সংখ্যা ৩,৯১৬টি। তারই একটি বর্তমানের বহুল কথিত আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ । বাংলাদেশের মসজিদ তালিকায় এক নতুন সংযোজন, আল-আমান বাহেলা খাতুন জামে মসজিদ বাংলাদেশে ব্যাক্তি মালিকানায় নির্মিত এমন এক দৃষ্টি নন্দন মসজিদ যেখানে একসাথে প্রায় ৭০০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শ্বেত শুভ্র এই মসজিদটি প্রতিটি মুসল্লির ইবাদতে প্রশান্তি এনে দেয়। নির্মাণ কারুকাজ ও সৌন্দর্য দেখে নিঃসন্দেহে একে একটি বৃহৎ শিল্পকর্ম হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। মসজিদ এর সূচনালগ্ন  মসজিদের নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো...

সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া ঐতিহ্যবাহী রেলওয়ে ব্রিজ

ছবি
                                    ছবি:- মোঃ মামুনুর রশিদ সিরাজগঞ্জ উল্লাপাড়া রেলওয়ে ব্রিজ ঘাটিনা গ্রাম অনেক পুরাতন একটি গ্রাম প্রায় ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাষনামলের আগে থেকেই এই গ্রামের অস্তিত্ব রয়েছে। নামকরনের সঠিক কোন ইতিহাস জানাযায়নি যদিও তবে ঘাটিনা গ্রাম তার স্বর্ণসন্তানদের দ্বারা ঠিক ই তার নাম সারাদেশে মাথা উচু করে তুলে ধরেছে। ঘাটিনাতে রয়েছে বিখ্যাত শতবর্ষী রেল ব্রিজ ঘাটিনা রেলওয়ে সেতু যা উপনিবেশিক শাষনামলে নির্মান করা এক অনবদ্য সুন্দর স্থাপত্ত্যকলা। আর এই ঘাটিনা ব্রিজের কোলেই সিরাজগঞ্জের সূর্যসন্তানেরা ১৯৭১ সালে প্রথম প্রতিরোধ গরে তোলে পাক-হানাদারদের বিরুদ্ধে। রেলব্রিজের পাশেই বাঙ্গালী নদীর বুকচিড়ে নির্মান হয়েছে ঘাটিনা সেতু যা ঘাটিনা গ্রাম কে উল্লাপাড়া সদরের সাথে সংযুক্ত করেছে ওপর দিকে পাশাপাশি সাধারন সেতু ও রেল সেতু মিলে দর্শনিয় একটি স্থানের তৈরি করেছে, এখানেই ধারন করা হয়েছে বিখ্যাত চলচিত্র চন্দ্রগ্রহনের বেশ কিছু অংশ। এখানে বিকেল বেলা পরিবার নিয়ে ঘোরার জন্য সুন্দর একটি জায়গা যা ...

মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি জোগানে ভুট্টার উপকারিতা

ছবি
মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি জোগানে ভুট্টার উপযোগিতা আদিকাল হতে বর্তমান সময়ের পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে খাদ্যাভাসের পরিবর্তনের প্রচেষ্টা যেন নিরন্তর। প্রায় দশ হাজার বছর আগে মেক্সিকোতে ভুট্টার চাষাবাদ শুরু হয় এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ভুট্টা ব্যবহৃত হতে থাকে। বাংলাদেশে দানাশস্যের মধ্যে ধান ও গমের পরেই রয়েছে ভুট্টার অবস্থান। ভুট্টার পুষ্টিমান ধান ও গমের চেয়েও অধিক। ভুট্টার চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভুট্টা চাষের জমির পরিমাণ ও উৎপাদন ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।    ২০০৮-০৯ অর্থবছরে দেশে ভুট্টার মোট আবাদি জমি ও উৎপাদনের  পরিমাণ যথাক্রমে ১.৭৪ লক্ষ হেক্টর এবং ১১.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন ছিল যা বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে যথাক্রমে ৫.৫৪৪ লক্ষ হেক্টর এবং ৫৪.০২৫ লক্ষ মেট্রিক টন এ দাঁড়িয়েছে।  প্রাণি খাদ্যে শতকরা ৮৫ ভাগ এবং মাছের খাদ্যে কমপক্ষে শতকরা ১০ ভাগ  ভুট্টা ব্যবহৃত হয়। ভুট্টায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি উপাদান বিদ্যমান থাকায় দেশে পশু-পাখি ও মাছের খাদ্য হিসেবেও ভুট্টার গ্রহণযোগ্যতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ভুট্টা সংযো...